Skip to main content

ঈদের খুশী

সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা, ঈদ মোবারক। ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা। ঈদ মানে খুশী আর এই ঈদের খুশীটা কেন, সেটা হল রোজা ভাংগার খুশী। দীর্ঘ এক মাস রোজা রাখার পরে সেটা ভাংগার খুশীটাই হল ঈদুল ফিতরের খুশী। এই খুশীটা সবার জন্য কিন্তু বিশেষ কিছু মানুষের জন্য এটা বেশী খুশীর, বেশী আনন্দের।

ধরুন সরকার একটা দৌড় প্রতিযোগিতার আয়োজন করল এবং ঘোষণা দিল যারাই এই প্রতিযোগিতায় আংশগ্রহণ করবে তারা সবাই পুরষ্কার পাবে, পুরষ্কার সরকারের নিজের ভিতরে কি দেবে তা বলে নাই তবে নিশ্চিত পুরষ্কার দেবে। যারা শেষ করতে পারবে তারা হয়ত একটু বেশী পাবে যারা একটু কম যাবে তারা একটু কম পাবে এটাই ব্যপার। এই দৌড়ে আবার কিছু নিয়ম কানুন দিয়ে দিলো যা ভাঙলে আপনি পুরষ্কার পাবেননা। প্রতিযোগিতায় কোন গার্ড থাকবে না তাই বলে মনে করার কারণ নাই যে আপনাকে অনুসরণ করা হচ্ছে না। আপনার সবকিছু সরকারের সামনে পরিষ্কার। আপনি কোন নিয়ম ভঙ্গ করলে আপনি পুরষ্কার পাবেন না। যারা দৌড়ে অংশগ্রহণ করবে না তারাতো দর্শক আর দর্শকতো থাকবেই। যারা অংশনিয়ে পুরষ্কার পাবে তাদের হবে আনন্দের দিন। তারা আনন্দ করবে পুরষ্কার পেয়ে, তাদের আনন্দ হবে পাওয়ার আনন্দ আর দর্শকরা তো দেখেই খুশী। তারা কিছু না পেয়ে অন্যের পাওয়া দেখে খুশী। আর যারা বেশী চালাক তারা নিয়ম ভংগ করেও পুরষ্কার পাওয়ার আনন্দ করবে।

তেমনি যারা সারা মাস রোজা রেখেছে, আল্লাহর প্রতি অনুগত থেকেছে, ইবাদতে মশগুল থেকেছে, তাদের জন্য রয়েছে মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ পুরষ্কার।
কিতাবে বলা আছে, রোজাদারদের পুরষ্কার আল্লাহ নিজ হাতে দিবেন, যত খুশী তত দিবেন। আর যারা তা করল না তাদের জন্য রয়েছে অভিষাপ।  রাসূল (সাঃ) বলেছেন, যে কিনা রমজান মাস পেল কিন্তু নিজের নিজের পাপ মাফ করিয়ে নিতে না পেরেই তা বিদায় দিলো তার জন্য অভিষাপ। আল্লাহ আমাদের সবাইকে মাফ করুন এবং আগামী রমজান মাস পর্যন্ত আমাদের বেচে থাকার তৌফিক দান করুন। (আমিন)

Comments

Popular posts from this blog

শিক্ষককে শ্রদ্ধা দেখানো।

শিক্ষক কে? যে আমাকে কিছু শিখিয়েছে নাকি যে আমাকে পাঠ্যপুস্তক পড়তে ও জানতে শিখিয়াছে। আমরা সাধারণত শিক্ষক বলতে বুঝি যিনি আমাকে স্কুল কলেজে বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়িয়াছেন। পড়...

অভিভাবকদের নিয়ে কিছু কথা।

আপনি আপনার সন্তানকে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা বড় অফিসার বানান সবই ঠিক আছে কিন্ত সবার আগে তাকে মুসলমান বানান। ইসলামী জ্ঞান তার ভেতরে প্রবেশ করান। কোনটা সত্য কোনটা মিথ্যা, ক...

কি আছে সামনে..........

বেশী দূরে না যায়, তনু হত্যা থেকেই শুরু করি। তনুকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হলো, যখন এই নিয়ে দেশ উত্তাল, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোর ওয়াল ভরা শুধু তনুর জন্য ভালোবাসা তখনই আমাদের মগজ ধোলাই করা জঙ্গীরা হাজির, ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে তাদের ধরা হলো, মারা হলো। তখন এই নিয়েও অনেক প্রশ্ন শুরু হলো, নাজানি ঘটনা কোন দিকে মোর নেই। খোজা হলো জিওল মাছ কি আর আছে (যুদ্ধাপরাধী), নাই। তাইলে কি করা যায়, ওমা এর মাঝেই বদরুল সাহেব হাজির তার চাপাতি নিয়ে হাজির। তাকে হয়ত কোরবানি ঈদের গরু কাটতে দেওয়া হয়েছিলো না তাই সে গরু মনে করে খাদিজা আপারে কোপাইলো। বাংলাদেশে একটা ঘটনা সামনে চলে আসলে সেই জাতীয় অনকে ঘটনায় তখন বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রকাশ পাই। আমরা হয়ত অনেক অনুকরন প্রিয় তাই। যেমনটা তনু হত্যার পরে রিসাকে ঢাকায় হত্যা করা হয়েছিল। এই সময়ে আবার কে যেন বদরুলের মত কোপানো রিপ্লে দেখালো, শুধু নারী নির্যাতনই না ওই দিকে দিনাজপুরে এক চাচা কিন্ত ৫ বছরের শিশুকে ভূল করে ধর্ষণ করে ফেলেছে। তাকে ধরা হলো, এবার দেশের বিভিন্ন কোনা থেকে শিশু ধর্ষণের খবর আসতে লাগলো। সামাজিক অবক্ষয় যখন চরমে আবার জিওল মাছওও নাই তাহলে কি করা যায়। প্রধান...