আপনি আপনার সন্তানকে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা বড় অফিসার বানান সবই ঠিক আছে কিন্ত সবার আগে তাকে মুসলমান বানান। ইসলামী জ্ঞান তার ভেতরে প্রবেশ করান। কোনটা সত্য কোনটা মিথ্যা, কোনটা খারাপ কোনটা ভালো এটা শেখান। ছোটবেলা থেকেই তাকে মানুষ হওয়া শেখান। ইসলামী জ্ঞান নিতে হলে যে তাকে মাদরাসায়ই ভর্তি করতে হবে তা বলছি না। আপনি তাকে অ আ, ক খ যেমন শেখাবেন তেমন আলিফ বা তা ছা গুলোও শেখান। তাকে যেভাবে ছড়া শেখান সেভাবে কোরআনের সূরাগুলো শেখান। তাকে যেভাবে খেলতে, বিভিন্ন আচরণ করতে শেখান সেভাবে আল্প অল্প করে হাতে কলমে শুদ্ধভাবে নামাজ পড়াটা শেখান। ইসলামী আদর্শ তার মধ্যে ঢুকিয়ে দিন।
একসময় সেই বুঝে যাবে, আল্লাহ তাকে হেদায়েত দিবেন। পিচ্চি মেয়ে ওকি আর জানে যে ইসলামে টিপ পড়া হারাম। আপনি তাকে টিপ পড়ায়ে দিলেন বা তার সামনে আপনি টিপ পড়লেন তাহলে ও কি শিখবে বলেন। ও নিজেই ধরে নিবে এটা পড়তে হবে পড়ে আপনি নিষেধ করলেও শুনবে না। এটা একটা উদাহরণ দিলাম মাত্র আরো অনেক আছে। আপনি যদি কাঁঠাল গাছ লাগান তাহলে সেখানে কাঁঠালই হবে আম আশা করলেও হবে না। ছোটবেলা থেকেই অপরকে শ্রদ্ধা করা শেখান, ভালোবাসতে শেখান ঠিকই শিখবে। তাই মানুষ কেমন ভাবে গড়ে উঠবে কেমন ভাবে আচরণ করবে তার জন্য তার অভিভাবক সম্পূর্ণভাবে দায়ী।
কাল কেয়ামতের ময়দানে যখন জাহান্নামের ফয়সালা হয়ে যাবে তখন তারা বলবে আমার সেই মা বাবা কই যাদের কারণে আমি আজ জাহান্নামে যাচ্ছি। যারা আমাকে ভালোভাবে ইসলামী জ্ঞান দেন না আবার ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত হবারও সুযোগ দেন নাই। আমি তাদের না নিয়ে জাহান্নামে যাব না। কখনো কি ভেবে দেখেছেন আপনি তখন কি বলবেন। আপনি অনেক বড় নামাজী আর আপনার ছেলে বা মেয়ে ডেটিং করে বেড়াচ্ছে। আপনার নামাজ কি আসলেই কাজে লাগছে। আপনার সন্তান আপনাকেই দেখতে হবে। তাকে বোঝাতে হবে। অনেক ব্যপার আছে যেগুলো আমাদের অভিভাবকরা খেয়ালই করেন না। আমিও একদিন অভিভাবক হব আমাকেউ একদিন এমন অবস্থার মুখোমুখি হতে হবে। আসুন এখনো সময় আছে আমরা সতর্ক হয়, সচেতন হয়। নিজেদের ভেতরে লজ্জা, বিবেক বোধটা নিয়ে আসি।
Comments
Post a Comment