আল্লাহতালা নিজেই এরশাদ করেন, " নিশ্চয় নামাজ অশ্লিল ও ব্যহায়াপনা থেকে বিরত রাখে"। কিন্ত বাস্তবে কি হচ্ছে। মানুষ নামাজও পড়ছে আবার অন্যায় কাজও করছে সমান তালে। তাহলে কি আমাদের নামাজ কবুল হচ্ছে??? কারো নামাজ যদি কবুল হয় তাহলে সে নিশ্চয় অশ্লিল ও অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকবে। কেন কবুল হচ্ছে না? কিছু সহজ সরল কারণ আমার মনে হয়। আর সেগুলো আমি বলছি।
১। নামাজের আগে ৭ টা ফরজ অর্থাৎ নামাজ পড়তে হলে আগে এই ৭টা ফরজ আদায় করতে হবে তারপর নামাজ পড়তে হবে। এরমধ্যে প্রথম কথা শরীর পাক। এটা বলতে আপনি কি বোঝেন? ফরজ গোসল করে নিলাম আর শরীর পাক হয়ে গেল নামাজের জন্য। না বন্ধু না, আপনার ধারণা কিঞ্চিৎ ভূল আছে। আপনি খাচ্ছেন সুদ, ঘুষের মত অবৈদ্ধভাবে উপার্জনের খাবার আর সেই খাবার আপনার সারা শরীরে ছড়িয়ে আছে। শরীরের ভেতরেই হারাম জিনিস আপনি প্রবেশ করিয়েছেন তাহলে আপনার শরীর পাক হবে কি করে। বৈদ্ধ উপার্জনের খাবার খান আপনার শরীর পাক থাকবে।
২। ৭টা ফরজের আর একটা হলো কাপড় পাক। আপনার কাপড় কি বৈদ্ধ টাকায় কেনা। আসলে এগুলো কেন বলছি, কারণ আমাদের সমাজে সুদ ঘুষ এত পরিমাণে বেড়ে গেছে যে অনেক এটাকে বৈদ্ধ করে নিয়েছে। নামাজ পড়তে পড়তে কপালে কালো দাগ হয়ে গেছে আবার ঘুষ খাওয়া ছাড়তে পারে না।আপসোস।।।।
৩। মনোযোগের অভাব, আমরা আসলে মন দিয়ে, অন্তর দিয়ে নামাজ আদায় করি না। একান্তই দায় সারা ভাবে নামাজ আদায় করি। একটু সময় নিয়ে নামাজ আদায় করব তা করি না। আমরা কোন রকমে তাড়াহুড়ো করে নামাজ শেষ করতে পারলে বেচে যায়। মসজিদে যায়ে ঝিমায়, গল্প করি, অলসতা, কাজ নাই মসজিদে যায়ে নামাজও পড়ি একটু ঘুমও দিয়ে আসি। এভাবে নামাজ হবে না।
Comments
Post a Comment