Skip to main content

Posts

Showing posts from May 15, 2016

শিক্ষককে শ্রদ্ধা দেখানো।

শিক্ষক কে? যে আমাকে কিছু শিখিয়েছে নাকি যে আমাকে পাঠ্যপুস্তক পড়তে ও জানতে শিখিয়াছে। আমরা সাধারণত শিক্ষক বলতে বুঝি যিনি আমাকে স্কুল কলেজে বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়িয়াছেন। পড়...

ইসলাম সম্পর্কে কটুক্তি

“ইসলাম সম্পর্কে কটুক্তি” – এই নিয়ে বেশ কয়কটি ঘটন অঘটন ঘটে গেল। কোন অখ্যাত সকুলের হিন্দু শিক্ষক ইসলাম সম্পর্কে কটুক্তি করায় তার চাকরি যায় আবার অন্য হিন্দু শিক্ষকে এম পি ...

আস্তিক, নাস্তিক ও আমার দেশ

আপনি আস্তিক নাকি নাস্তিক এটাই এখন বড় কথা হয়ে দাড়িয়েছে আমাদের দেশে। এর জন্য অবশ্য দুই শ্রেণীর মানুষ দায়ী আমার মনে হয়। এক শ্রেণীর মানুষ যারা ধর্মীয় গোড়ামী দিয়ে সাধারণ মান...

দায়িত্বে অবহেলা

আমরা সবাই একটু অলসভাবে, আরামপ্রিয়ভাবে সময় কাটাতে পছন্দ করি। আর সেই জন্যই আমরা আমাদের নিজেদের দায়িত্ব আরের জনের কাধে দিয়ে নিজে আরামে বসে থাকি। খাঁটি বাংলায় যাকে বলে পরের মাথায় কাঁঠাল ভেঙ্গে খাওয়া আরকি। কর্মক্ষেত্রে আমরা সবাই আমাদের নিজেদের নীচের মানুষদের চাপে রাখতে পছন্দ করি, মানে আমার আন্ডারে যে আছে, সে যেন একটুও ফাকি না দিতে পারে সেই জন্য তার কাজের পাশাপাশি আমার কিছু কাজও তার কাধে চাপিয়ে দিতে চায়। এই মানসিকতা সবার মধ্যেই বিদ্যমান। আর এই কারণেই কাজগুলো ভালোমত সম্পন্ন হয় না, শুধু ফাঁকি আর ফাঁকি। জীবনটায় পার হয়ে যাচ্ছে ফাঁকি দিয়ে। উদাহরণ, আমার কাজ প্রতিদিন ৪০টা দোকানের ছবি তুলে আমার কম্পানির একটা অ্যাপ আছে সেখানে জমা দেওয়া, আমি আমার আন্ডারে যে কাজ করে তারে বললাম যে তুমি কাজের ফাকে ৪০টা ছবি দিয়ে দিও। তাইলে কি হচ্ছে আমার কাজ হয়ে গেলো কিন্ত আমি কিছুই করলাম না। অপরপক্ষে যার উপড়ে আমি আমার কাজ দিয়ে দিলাম, তারওতো নিজের কাজ আছে, সে চাইবে কিভাবে তার কাজটা সহজ করা যায়, সে চাইবে তার কিছু কাজ তার নীচে যে আছে তারে দিয়ে দিতে আর আমার কাজটা করতে, বসের অর্ডার। এভাবেই চলছে সব, কাজ করে ম...

কপি পেস্ট নিয়ে কিছু কথা

 আমরা দি নে দিনে অনেক বেশী পরিমাণে কপি পেস্ট নির্ভর হয়ে যাচ্ছি, এক কারণ হিসাবে আমি মনে করি ছোটবেলা থেকেই আমাদের সঠিক গাইডেন্সের অভাব। ছোট বাচ্চাকেউ মা বাবা বলে বেশী করে খাও তাইলে ওর মত স্বাস্থ্য হবে না হলে ওর মত রোগা হয়ে যাবে। এখান থেকেই শুরু, এর প্রধান কারণ পরশ্রীকাতরতা। কাছের কারো ভালো আমরা সয্য করতে পারি না, তাই তারচেয়ে ভালো করার জন্য আমরা অন্যেরটা কপি করতে দ্বিধা করি না। ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে এটা সবচেয়ে বেশী। কে এত কষ্ট করে বাড়ীর কাজ করবে, তার থেকে ওরটা দেখে কপি করে নিব এমন ভাব, ওই সময়টা সোশাল নেটওয়ার্কিং করে সময় কাটাব। এতে কি হচ্ছে শেখার মানুষিকতাটা হারিয়ে যাচ্ছে, অন্যের জ্ঞানের প্রতি নির্ভরশীল হতে হচ্ছে।  শুধু পড়াশুনা না , সামাজিক জীবনেও এর প্রভাব কম পরেনি, স্টার জলসায় ওই ভাবীটা যেই ড্রেসটা বা যে শাড়ীটা পড়েছে সেটাই পরতে হবে। এই কপি পেস্ট এর কারণে হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের নিজস্ব ঐতিয্য, আমরা এখন পশ্চিমাদের কপি করি, পহেলা বৈশাখে হিন্দি গান চালিয়ে নাচি। বাংলা খাবার বাদ দিয়ে ধরেছি চাইনিজ, ইটালিয়ান, থাই ইত্যাদি। অন্যের সত্তা দিয়ে নিজে কতদিন টিকে থাকা যায়। এর শেষ কোথায়? আমরা কি ...