আমরা দি নে দিনে অনেক বেশী পরিমাণে কপি পেস্ট নির্ভর হয়ে যাচ্ছি, এক কারণ হিসাবে আমি মনে করি ছোটবেলা থেকেই আমাদের সঠিক গাইডেন্সের অভাব। ছোট বাচ্চাকেউ মা বাবা বলে বেশী করে খাও তাইলে ওর মত স্বাস্থ্য হবে না হলে ওর মত রোগা হয়ে যাবে। এখান থেকেই শুরু, এর প্রধান কারণ পরশ্রীকাতরতা। কাছের কারো ভালো আমরা সয্য করতে পারি না, তাই তারচেয়ে ভালো করার জন্য আমরা অন্যেরটা কপি করতে দ্বিধা করি না। ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে এটা সবচেয়ে বেশী। কে এত কষ্ট করে বাড়ীর কাজ করবে, তার থেকে ওরটা দেখে কপি করে নিব এমন ভাব, ওই সময়টা সোশাল নেটওয়ার্কিং করে সময় কাটাব। এতে কি হচ্ছে শেখার মানুষিকতাটা হারিয়ে যাচ্ছে, অন্যের জ্ঞানের প্রতি নির্ভরশীল হতে হচ্ছে। শুধু পড়াশুনা না , সামাজিক জীবনেও এর প্রভাব কম পরেনি, স্টার জলসায় ওই ভাবীটা যেই ড্রেসটা বা যে শাড়ীটা পড়েছে সেটাই পরতে হবে। এই কপি পেস্ট এর কারণে হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের নিজস্ব ঐতিয্য, আমরা এখন পশ্চিমাদের কপি করি, পহেলা বৈশাখে হিন্দি গান চালিয়ে নাচি। বাংলা খাবার বাদ দিয়ে ধরেছি চাইনিজ, ইটালিয়ান, থাই ইত্যাদি। অন্যের সত্তা দিয়ে নিজে কতদিন টিকে থাকা যায়। এর শেষ কোথায়? আমরা কি ...