আমরা সবাই একটু অলসভাবে, আরামপ্রিয়ভাবে সময় কাটাতে পছন্দ করি। আর সেই জন্যই আমরা আমাদের নিজেদের দায়িত্ব আরের জনের কাধে দিয়ে নিজে আরামে বসে থাকি। খাঁটি বাংলায় যাকে বলে পরের মাথায় কাঁঠাল ভেঙ্গে খাওয়া আরকি। কর্মক্ষেত্রে আমরা সবাই আমাদের নিজেদের নীচের মানুষদের চাপে রাখতে পছন্দ করি, মানে আমার আন্ডারে যে আছে, সে যেন একটুও ফাকি না দিতে পারে সেই জন্য তার কাজের পাশাপাশি আমার কিছু কাজও তার কাধে চাপিয়ে দিতে চায়। এই মানসিকতা সবার মধ্যেই বিদ্যমান। আর এই কারণেই কাজগুলো ভালোমত সম্পন্ন হয় না, শুধু ফাঁকি আর ফাঁকি।
জীবনটায় পার হয়ে যাচ্ছে ফাঁকি দিয়ে। উদাহরণ, আমার কাজ প্রতিদিন ৪০টা দোকানের ছবি তুলে আমার কম্পানির একটা অ্যাপ আছে সেখানে জমা দেওয়া, আমি আমার আন্ডারে যে কাজ করে তারে বললাম যে তুমি কাজের ফাকে ৪০টা ছবি দিয়ে দিও। তাইলে কি হচ্ছে আমার কাজ হয়ে গেলো কিন্ত আমি কিছুই করলাম না। অপরপক্ষে যার উপড়ে আমি আমার কাজ দিয়ে দিলাম, তারওতো নিজের কাজ আছে, সে চাইবে কিভাবে তার কাজটা সহজ করা যায়, সে চাইবে তার কিছু কাজ তার নীচে যে আছে তারে দিয়ে দিতে আর আমার কাজটা করতে, বসের অর্ডার।
এভাবেই চলছে সব, কাজ করে মরছে নীচের দিকে কর্মকর্তারা। আর ঝারিও শুনছে তারায় কারণ যে নীচে কাজ করে তাকে যদি উপড়ের কাজ করতে বলা হয় তাহলেতো সে ভূল করবেই। প্রতিটা ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে আমরা সবাই দায়িত্বে অবহেলা করায় ব্যস্ত।
জীবনটায় পার হয়ে যাচ্ছে ফাঁকি দিয়ে। উদাহরণ, আমার কাজ প্রতিদিন ৪০টা দোকানের ছবি তুলে আমার কম্পানির একটা অ্যাপ আছে সেখানে জমা দেওয়া, আমি আমার আন্ডারে যে কাজ করে তারে বললাম যে তুমি কাজের ফাকে ৪০টা ছবি দিয়ে দিও। তাইলে কি হচ্ছে আমার কাজ হয়ে গেলো কিন্ত আমি কিছুই করলাম না। অপরপক্ষে যার উপড়ে আমি আমার কাজ দিয়ে দিলাম, তারওতো নিজের কাজ আছে, সে চাইবে কিভাবে তার কাজটা সহজ করা যায়, সে চাইবে তার কিছু কাজ তার নীচে যে আছে তারে দিয়ে দিতে আর আমার কাজটা করতে, বসের অর্ডার।
এভাবেই চলছে সব, কাজ করে মরছে নীচের দিকে কর্মকর্তারা। আর ঝারিও শুনছে তারায় কারণ যে নীচে কাজ করে তাকে যদি উপড়ের কাজ করতে বলা হয় তাহলেতো সে ভূল করবেই। প্রতিটা ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে আমরা সবাই দায়িত্বে অবহেলা করায় ব্যস্ত।
Comments
Post a Comment