আমাদের সমাজে আজকাল দেখা যায় অনেকেই ধর্মের কথাগুলো ব্যঙ্গ করে বলে। অনেকে হাদিসের কথাগুলো তার নিজের মত করে বলে, অনেকে বাস্তবতার সাথে ধর্মকে একাকার করে অন্যদিকে নিয়ে যায়। কোরআন এর কথা, হাদিসের কথা শুনতে চাই না। তাদের গায়ে জালা করে। তারাই আরো উল্টা বুঝিয়ে দেই যে তারা যেটা করছে সেটাই ঠিক। কিছু উদাহরণ দেই,
একজন বেনামাজি, যে নামাজ পড়ে না কিন্ত মুসলমান দাবি করে, সে যে নামাজ পড়ে না এটা অন্যায় সে জানে তবুও তার নামাজ না পড়ার পেছনে অবশ্যই একটা যুক্তি সে দেখাবে এবং তার যুক্তি সঠিক প্রমাণ করার জন্য সে হাজারটা চেষ্টা করবে যদিও সে জানে যে সে অন্যায় করছে। আবার সে যে নামাজ পড়ে তার দোষ খুজে খুজে বের করবে হাজারটা। অথচ নিজেরটা দেখবে না, কারণ আল্লাহ তালাহ তাকে তার নিজেকে দেখার ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছেন।
একজন বক ধার্মিক সে আপনার দোষ খুজে বের করবে হাজার হাজার, অপরের দোষ ধরে বেড়ানোই তার কাজ হবে। তার কছে হুজুররা খারাপ, হুজুররা পরের বাড়ি খেয়ে বেড়ায়, তারা সাংঘর্ষিক কথা বলে যেটা নাকি বাস্তবতার সাথে যায় না। তারা যে কোরআন হাদিসের কথা বলে সেটা বলা ঠিক না। এই হলো আধুনিক মুসলিম সমাজের চিত্র আমার দৃষ্টিকোন থেকে।
একজন নামে মুসলিম সে ইসলামি অনুশাসন কে তার নিজের মত করে করে নেয় যেন সে সুবিধা মত পরিবর্ধন সংকোচন করতে পারে। সবকিছুর জন্য তার কাছে যুক্তি আছে, সে ইসলামি বই পড়বে না কিন্ত নিজেকে অনেক জ্ঞানের আধার হিসাবে জাহির করবে। সে কোরআন পড়িতে পারে না তাতে কি সে নিজেকে কোরআন এর পণ্ডিত মনে করে।
এদের সাথে কথা বললে নিজের মানসিকতাও নাড়া দেই। দ্বিধাদ্বন্দ্ব শুরু হয়, শয়তার প্রধান কাজই হলো মনের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব তৈরি করে দেওয়া। এখন শয়তানের কাজ সহজ হয়ে গেছে কারণ তার অনেক প্রতিনিধি তৈরি হয়েছে।
Comments
Post a Comment