Skip to main content

হিউম্যান সাইকোলজি

 মানুষের সাইকোলজি নিজে আমার জানার খুব ইচ্ছা। আমি অনেক মানুষকে দেখি, ভালোভাবে দেখি। দেখে তাকে বোঝার চেষ্টা করি, জানার চেষ্টা করি। অনেক সময়ই কোন কূল কিনারা খুজে পাই না। আর তারচেয়ে ভয়াবহ ব্যাপার হলো আমি আমাকেই মাঝে মাঝে বুঝতে পারি না। 


আমার যখন রাগ হয় তখন শান্ত থাকার চেষ্টা করি কিন্তু সব সময় পারি না। অবশ্য রাগ দেখানোর জায়গা বা মানুষ তেমন নেই আমার তাই হয়ত শান্ত হয়ে যায়। তখন খুজে বের করার চেষ্টা করি যে আমার রাগটা হলো কেন? আস্তে আস্তে কারণ খুজি। আসলে কী আমরা সবাই স্বার্থপর, মানুষ মাত্রই স্বার্থপর। যেমন আমি যখন কোন কিছু আমার মতো করে চাই কিন্তু পাই না তখন রাগ হয়। এখানে কী আসলে আমার রাগ করা উচিত? আসলে পৃথিবীর সবকিছুতো আমার চাওয়ামতো হবে না। সবাই নিজ নিজ অক্ষে ভ্রমণ করছি আমরা। আমার চাওয়ার জন্যতো কোনকিছু তার অক্ষ বদলাবে না। এটা যখন বুঝি তখন শান্ত হয়ে যায়।


আসলেই কী তাই, আমি আমাত দিকটা ভেবে একটা সিদ্ধান্ত নিই আর সেভাবে আমার চাওয়াটা আসে, আমি যখন চাই তখন ভাবি যা চাচ্ছি তা আমার প্রাপ্য, আমার অধিকার। কিন্তু বাস্তবতা তো ভিন্ন, সবকিছু আমার অধিকার না। যখন হিসাব মিলাতে বসি তখন সরল অংকের মতো সব মিলে যায়। জীবনটা কী আসলেই সরল অংক। আধুনিক যুগের সবচেয়ে বাস্তব জিনিস হলো ক্যারিয়ার। আর এটা বলতে বোঝায় আপনার অর্থ উপার্জন করা কর্ম। আর এই ক্যারিয়ার গঠন করতে যেয়ে আমরা পাগল হয়ে যায়। ভালো ক্যারিয়ার, আসলেই ভালো ক্যারিয়ার বলে কী কিছু আছে! 


আমি আজ ৭ বছর ধরে বেকার। আমি আমার পছন্দের সাবজেক্ট নিয়ে পড়তে পারিনি তাই এখন আমার নিজের সাবজেক্ট এর পড়া মাথায় থাকে না তাই বিসিএস এর পিছনে সময়টা নষ্ট করছি। আমি নিজে আমার মনকে বুঝিয়েছি যে তোকে বিসিএস ক্যাডার বানাবো। আমি এখনো সেই স্বপ্নে বিভোর, কিন্তু সেইভাবে পরিশ্রম করতে পারছি না তাই বারবার মিস হয়ে যাচ্ছে। বারবারই হতাশা আমাকে গ্রাস করছে, আমার ইচ্ছা সাইক্রিয়াটিস্ট হওয়া কিন্তু আমার এই পজিশনে এসে সেটা হওয়া সম্ভব না। বারবার ফেইল করাতে নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস কমে গেছে অনেক। এখন ভাবি ভুল করলাম নাকি। জীবনটা যদি সরল অংক হতো তাহলে আমি এতোদিনে স্বপ্নের পুলিশ ক্যাডার হয়ে যেতাম আর না হলে আমার কী ভুল সেটা খুজে পেয়ে যেতাম। কিন্তু কিছুই খুজে পাচ্ছি না তাই নিজেকে বুঝিয়েছি যে আমি ঠিক রাস্তায় আছি। একটু দেরি হলেও আমি আমার গন্তব্যে পৌছাতে পারবো ইনশাআল্লাহ। 


উত্থান পতন জীবনের একটা অংশ। আমি এতোদিনে যা বুঝেছি যে সবারই একদিন নিজের সময় আসবে যখন নিজের দেখা বেশ কিছু স্বপ্ন পূরণ হয়ে যাবে। মানুষের চাওয়ার শেষ নাই। একটা খাবার যা খেতে খেতে পেট ভরে গেলে মানুষ আর নিজের জন্য চাই না তাছাড়া আর কোন কিছুই মানুষ কখনো চাওয়া বাদ দেয় না। একদিন আপনারও সময় আসবে তবে সেটা কবে তা আপনি নিজেও বুঝবেন না। তখন সবই ফেভারে থাকবে আর এই কথাটা বেশিরভাগ মানুষই বিশ্বাস করে আর অপেক্ষায় থাকে।



Comments

Popular posts from this blog

শিক্ষককে শ্রদ্ধা দেখানো।

শিক্ষক কে? যে আমাকে কিছু শিখিয়েছে নাকি যে আমাকে পাঠ্যপুস্তক পড়তে ও জানতে শিখিয়াছে। আমরা সাধারণত শিক্ষক বলতে বুঝি যিনি আমাকে স্কুল কলেজে বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়িয়াছেন। পড়...

অভিভাবকদের নিয়ে কিছু কথা।

আপনি আপনার সন্তানকে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা বড় অফিসার বানান সবই ঠিক আছে কিন্ত সবার আগে তাকে মুসলমান বানান। ইসলামী জ্ঞান তার ভেতরে প্রবেশ করান। কোনটা সত্য কোনটা মিথ্যা, ক...

কি আছে সামনে..........

বেশী দূরে না যায়, তনু হত্যা থেকেই শুরু করি। তনুকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হলো, যখন এই নিয়ে দেশ উত্তাল, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোর ওয়াল ভরা শুধু তনুর জন্য ভালোবাসা তখনই আমাদের মগজ ধোলাই করা জঙ্গীরা হাজির, ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে তাদের ধরা হলো, মারা হলো। তখন এই নিয়েও অনেক প্রশ্ন শুরু হলো, নাজানি ঘটনা কোন দিকে মোর নেই। খোজা হলো জিওল মাছ কি আর আছে (যুদ্ধাপরাধী), নাই। তাইলে কি করা যায়, ওমা এর মাঝেই বদরুল সাহেব হাজির তার চাপাতি নিয়ে হাজির। তাকে হয়ত কোরবানি ঈদের গরু কাটতে দেওয়া হয়েছিলো না তাই সে গরু মনে করে খাদিজা আপারে কোপাইলো। বাংলাদেশে একটা ঘটনা সামনে চলে আসলে সেই জাতীয় অনকে ঘটনায় তখন বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রকাশ পাই। আমরা হয়ত অনেক অনুকরন প্রিয় তাই। যেমনটা তনু হত্যার পরে রিসাকে ঢাকায় হত্যা করা হয়েছিল। এই সময়ে আবার কে যেন বদরুলের মত কোপানো রিপ্লে দেখালো, শুধু নারী নির্যাতনই না ওই দিকে দিনাজপুরে এক চাচা কিন্ত ৫ বছরের শিশুকে ভূল করে ধর্ষণ করে ফেলেছে। তাকে ধরা হলো, এবার দেশের বিভিন্ন কোনা থেকে শিশু ধর্ষণের খবর আসতে লাগলো। সামাজিক অবক্ষয় যখন চরমে আবার জিওল মাছওও নাই তাহলে কি করা যায়। প্রধান...